ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক

ইসলাম শিক্ষালয়
শেয়ার করুন

ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক খুবই নিবিড় কথাটির ব্যাখ্যা

আজকের ব্লগে ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। ইসলামের মূল বিষয়গুলোর প্রতি দৃড় বিশ্বাস কে ঈমান বলে। প্রকৃত অর্থে আল্লাহতায়ালা, নবী রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত, আসমানী কিতাব, তাকদিরে বিষয়গুলো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা ও সেই অনুযায়ী আমল করা কে ইমান বলে।

ইসলামের এই ৭ টি বিষয়ের যেকোন একটি ওপর পড়ে থাকলে ঈমান সম্পন্ন হবে না। ‌তাই বলা যায়, ইসলামের সাথে ঈমানের সম্পর্ক খুবই গভীর।

কপটতার নিদর্শন গুলো কী কী?

ইসলামী পরিভাষায় মুখে ঈমানের স্বীকার এবং অন্তরে অবিশ্বাস করা কে কপটতা বলা হয়। কপটতার নিদর্শন ৩ টি-

১. যখন কথা বলে; মিথ্যা বলে (যে কেউ)

২. কারো সাথে ওয়াদা করলে সেটা ভঙ্গ করে;

৩. যখন তার নিকট কোন কিছু আমানত হিসেবে রাখা হয় তখন তার খেয়ানত করে।

আমরা অবশ্যই সকলে কপটতা থেকে বেঁচে থাকব এবং অবশ্যই খাঁটি মুসলিম হিসেবে জীবন-যাপনে চেষ্টা করব।

নবি এবং রাসূলের পার্থক্য বর্ণনা কর

ইসলামের সাথে ইমানের সম্পর্ক কি

আল্লাহতালা যাদের উপর আসমানী কিতাব নাযিল করেছেন কিংবা নতুন শরীয়ত প্রদান করেছেন, তারা হলেন রাসূল। আর যার প্রতি কোন ধরনের কিতাব অবতীর্ণ হয় নি কিংবা যাকে কোন ধরনের নতুন শরীয়ত দেওয়া হয়নি তিনি হলেন নবী।

তিনি তার পূর্ববর্তী রাসূলের শরীয়ত প্রচার করতেন। এই কারণে সকল রাসূল নবী ছিলেন। কিন্তু সকল নবী রাসূল ছিলেন না। যেমন আমাদের মহানবী সাল্লাম ছিলেন একাধারে নবী ও রাসূল। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

হাশরের ময়দানে কত ধরনের শাফায়াত কার্যকর হবে?

কিয়ামতের পরবর্তী ধাপটি হল হাশর। সেদিনই পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে শুরু করে ধ্বংস হওয়ার পর্যন্ত সমস্ত মানুষকে জমায়েত করা হবে। ইসলামী পরিভাষায় কল্যাণ এবং ক্ষমার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট নবী-রাসূলগণের সুপারিশ করাকেই শাফায়াত বলে।

হাশরের ময়দানে ২ ধরনের শাফায়াত কার্যকর হবে। যথা-

  • শাফায়াতে কুবরা
  • শাফায়াতে সুগরা

কিয়ামতের দিন সকল ধরনের মানুষ অসহনীয় দুঃখ-কষ্ট নিপতিত থাকবে। এ সময় তারা সকল নবী রাসূলের নিকট উপস্থিত হয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করার জন্য আল্লাহর নিকট শাফায়াত করতে অনুরোধ করবে।

তারা সকলেই অপারগতা প্রকাশ করবেন। এই সময় মানুষ মহানবী (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হবে। তখন মানুষ মানুষকে আল্লাহ তাআলার নিকট সুপারিশ করবেন। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা হিসাব-নিকাশ শুরু করবেন। এই শাফায়াত কে বলা হয় শাফায়াতে কুবরা।

আবার কিয়ামতের দিন পাপীদেরকে ক্ষমা এবং পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফায়াত করা হবে এটাই হলো শাফায়াতের সুগরা। নবী রাসুল, ফেরেশতা, শহীদ, আলেম, হাফিজ এ শাফায়াতের সুযোগ পাবেন।

আশা করছি আপনারা এবার ইসলাম ও ইমানের সম্পর্ক, কপটতা, নবি-রাসুল এবং হাশরের ময়দান সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আজকের মতো বিদায়। ভালো থাকুন। 

আমাদের আরো লেখা পড়তে লিখবে সবাই হোমপেইজে ভিজিট করুন।


আমাদের আরো ব্লগ পড়ুন