ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিস্তারিত

ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানের ডিজটিালাইজড যুগে অসাধারণ একটি সংযোজন। মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত “প্রচারেই প্রসার” কথাটির ডিজিটালাইজড রুপই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিংকে ইন্টারনেট মার্কেটিং বা ইলেকট্রনিক মার্কেটিং বা অনলাইন মার্কেটিং বা ওয়েব মার্কেটিংও বলা হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

 অনলাইন কেন্দ্রিক ও প্রযুাক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল প্লাটফর্মে পণ্য বা সার্ভিসের যে মার্কেটিং করা হয় সেটাই মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল প্লাটফর্ম এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি),সার্চ ইঞ্জিন(গুগল,ইয়াহু ইত্যাদি) এবং  ইমেইল। এই সমস্ত মার্কেটিং প্লাটফর্মে দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন।

এছাড়াও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে  টিভি, রেডিও, মোবাইল ইত্যাদি।টিভি, রেডিও এর মাধ্যমে পণ্যে বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়ে থাকে যা ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুভুক্ত। মোবাইলের মাধ্যমে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জিং, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণা ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। তবে এই সমস্ত মাধ্যমগুলোর অধিকাংশই ব্যয়বহুল।

বর্তমানে আমাদের প্রতিদিনের বড় একটা সময় আমরা অনলাইনে কাটাই।তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, সার্চ ইঞ্জিন, ইমেইল এর সাহায্যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকদের পন্য বা সেবা সম্পরকে প্রভাবিত করা তুলনামুলক ভাবে সহজ।

ডিজিটাল মার্কেটিং গতানুগতিক ধারার মার্কেটিং থেকে আলাদা কেন?

ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা দূর করার অভিপ্রায় থেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর উদ্ভব হয়েছে। ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং এর উল্লেখযোগ্য কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

  • ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং ব্যবস্থা অত্যান্ত ব্যয়বহুল।
  • এর মাধ্যমে কত জন মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না।
  • এটি পরিচালনা এবং বাস্তবায়ন দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ ব্যপার।
  • ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং ধীরে ধীরে তার টার্গেট অডিয়েন্স হারায়।

উপরে উল্লিখিত সীমাবদ্ধতা সমুহ দূর করে নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র জায়গা করে নিয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং। বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অসংখ্য ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি),সার্চ ইঞ্জিন(গুগল,ইয়াহু ইত্যাদি) এবং  ইমেইল। এছাড়াও অসংখ্য প্লাটফর্ম রয়েছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা আর ব্যপক হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। ডিজিটাল মার্কেটিং এর যে সমস্ত বিশেষত্বের কারনে এটি ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং থেকে স্বতন্ত্র তা তুলে ধরা হল।

  • সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যপক প্রচার প্রচারণা সম্ভব
  • স্বল্প সময়ের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং বাস্তবায়ন সম্ভব
  • অসংখ্য কর্মক্ষেত্রের সুযোগ সৃষ্টি
  • নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে পণ্য বা সেবার প্রচারনা পৌঁছানো যায়।
  • যে কেউ চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দক্ষতা অর্জন করে উপার্জনক্ষম হতে পারে।

ক্যারিয়ার হিসাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কেমন?

সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ ব্যবহার ও প্রযুক্তির কার্যকরী ব্যবহার উভয়ের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং এর দক্ষতা অর্জন করতে হয়। বর্তমানে ইন্টারনেট মার্কেটারদের চাহিদা ব্যপক। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে সাধারণত ২ ভাবে ক্যারিয়ার শুরু করা যায়।

১।চাকুরীজীবী হিসাবে

২।ফ্রিলান্সিং করে

চাকুরীজীবী হিসাবে 

ব্যাপক চাহিদা ও জনপ্রিয়তার কারনে অধিকাংশ কোম্পানির ডিজিটাল মার্কেটিং এর স্বতন্ত্র ডিপার্টমেন্ট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে অনেক নামিদামি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়  ডিজিটাল মার্কেটিং স্বতন্ত্র কোর্স হিসাবে গ্রহন করেছে এবং এর উপরে প্রফেশনাল ডিগ্রীও দেয়া হচ্ছে। তাহলে বুঝতেই পারছেন ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে কতটা গুরুত্বপূর্ণ !   

ডিজিটাল মার্কেটিং এ দক্ষতা অর্জন করে আপনি আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসাবে।

ফ্রিলান্সিং করে

অধিকাংশ মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে শুধুমাত্র ফ্রিলান্সিং করার জন্য। ফ্রিলান্সিং সেক্টরে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বেশি ডিমান্ডিং একটি ক্ষেত্র। ফ্রিলান্সিং এর অন্যান্য সেক্টরের তুলনায় ডিজিটাল মার্কেটিং এ অর্থের পরিমান তুলনামুলক ভাবে বেশী।

 ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সব থেকে জনপ্রিয় এবং উল্লেখযোগ্য মার্কেটপ্লেসগুলো তুলে ধরা হল,

 ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেক্টর সমুহ

ডিজিটাল বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতা ব্যাপক। এর অসংখ্য শাখা উপশাখা রয়েছে। আপনি চাইলে এর যেকোন একটি শাখা বা উপশাখা ভালভাবে শিখে বড় বা ছোটখাটো ফ্রিলান্সার বনে যেতে পারবেন !

চলুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয় উল্লেখযোগ্য সেক্টর সমুহ সম্পর্কে জেনে নেই।

  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
  • কনটেন্ট মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)
  • পেই পার ক্লিক (PPC)
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং

উপরে উল্লিখিত ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্র সমুহ সম্পর্কে পাঠকদের বোঝার সুবিধার্থে আলোচনা করা হল।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও (SEO)

গুগল (গুগল দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝানো হয়েছে) তার নির্দিষ্ট র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক রেজাল্টের ইনডেক্স বা ক্রমানুসারে সাজিয়ে থাকে। আর গুগলের এই র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর অনুযায়ী সকল শর্ত মেনে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের উপযুক্ত কন্টেন্ট বা ব্লগকে গুগলের প্রথম পেইজে আনার জন্য যে কাজগুলো করা হয় তাকেই মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা সংক্ষেপে এসইও (SEO) বলে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব থেকে জনপ্রিয় এবং ব্যাপক চাহিদা সম্পূর্ণ সেক্টর হল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা সংক্ষেপে এসইও (SEO)। শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এ এক্সপার্ট বা প্রফেশনাল হয়ে আপনি মাসে অনায়েসে ৩০০০ থেকে ৫০০০+ ডলার উপার্জন করতে পারবেন। তার জন্য অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধরে আগ্রহের সাথে কাজ শিখতে হবে। শুরুতে সামান্য আয় দিয়ে শুরু করতে হবে। অভিজ্ঞতার সাথে সাথে আয়ও বাড়বে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) তে এক্সপার্ট বা প্রফেশনাল হতে হলে আপনাকে নিম্নে উল্লিখিত বিষয়গুলোতে পরিপুরনরুপে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

  • কিওয়ার্ড রিসার্চ
  • অন পাইজ এসইও
  • অফ পেইজ এসও
  • লোকাল এসইও এবং
  • ট্যাকনিক্যাল এসইও ইত্যাদি

এই সেক্টরগুলোর মধ্যে যেকোনো একটিতে দক্ষতা অর্জন করেও ছোটখাটো ফ্রিলান্সার বনে যেতে পারেন!

কনটেন্ট মার্কেটিং

কোন ঘটনা, বিষয় বস্তু সম্পর্কে লিখনীকে লেখা আকারে, অডিও কিংবা ভিডিও আকারে যেকোনো ডিজিটাল প্লাটফর্মে প্রদর্শন করে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে আকৃষ্ট করাকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভাল কনটেন্টের প্রয়োজন আবশ্যিক। বর্তমান বাজারে একজন কনটেন্ট রাইটারের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কাকে বলে

একটি আকর্ষণীয় এবং সুন্দর কনটেন্ট সহজেই গ্রাহক বা ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম। ডিজিটাল প্লাটফর্মে কনটেন্ট বিভিন্ন আকারে পাওয়া যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল,

  • ওয়েব পেইজে
  • ব্লগ পোস্ট
  • পডকাস্ট
  • স্লাইড
  • পিডিএফ
  • ইমেজ এবং
  • ভিডিও

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)

সার্চ ইঞ্জিন বা অনলাইন প্লাটফর্মে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে পণ্য বা সেবা সম্পর্কে প্রচার প্রচারণা চালানকে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) বলে।

উল্লেখযোগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) হল,

  • কস্ট পার ক্লিক (CPC)
  • কস্ট পার একশন (CPA)
  • কস্ট পার ভিউ (CPV) এবং
  • ডিজিটাল ডিসপ্লে মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)

আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমের বড় একটা সময় আমরা ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, প্রিন্টারেস্ট ইত্যাদিতে ব্যয় করে থাকি। সামাজিক এই মাধ্যম গুলোতে ব্র্যান্ড বা পণ্যের প্রচার প্রচারণা করাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা সংক্ষেপে এসএমএম (SMM) বলে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব থেকে জনপ্রিয় এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম হল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা সংক্ষেপে এসএমএম (SMM)। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM) এর সব থেকে বড় সুবিধা হল টার্গেট কাস্টমারদের কাছে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM) সাধারনত ২ ভাবে করা যায়, 

পেইড মার্কেটিং

টাকা খরচ করে ইউটিউব, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম সহ অন্যান্য মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য  এড প্রদান করাকে পেইড সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।

নন পেইড মার্কেটিং

ফেসবুকে কন পেইজ বা গ্রুপ খুলে কনটেন্ট তৈরির দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কিংবা সরাসরি আকর্ষণীয় ও তথ্য বহুল পেইজ খুলে মারকেটিং করা নন পেইড মার্কেটিং এর বর একটি উদাহরন।

পেই পার ক্লিক (PPC)

অনলাইন ভিত্তিক প্লাটফর্ম গুগল এবং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিজ্ঞাপনদাতা তার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয়ের জন্য অ্যাড দিয়ে থাকে এবং সেই অ্যাডে একজন ভিজিটরের প্রতিবার ক্লিকের জন্য এর ইউজারকে নির্দিষ্ট পরিমান ফি প্রদান করা হয় যাকে পেই পার ক্লিক (PPC) বলে।

পেই পার ক্লিক (PPC) এর ডিজিটাল প্লাটফর্ম সাধারণত ২টি,

  • গুগল পিপিসি অ্যাডস 
  • সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডস

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং কে এক অন্য মাত্রা প্রদান করেছে। কোন প্রোডাক্ট বা ব্র্যান্ডের প্রচার প্রচারণা ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোকে মূলত ইমেইল মার্কেটিং বলে।

ইমেইল মার্কেটিং এ নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়া ফলো করতে হয়। প্রথমেই কিছু গ্রাহকদের ইমেইল সংগ্রহ করতে হয় এবং কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করে একসাথে সবগুলো গ্রাহকদের ইমেইল পাঠাতে হয়।

গ্রাহকদের ইমেইল সংগ্রহ করার জন্য জনপ্রিয় কিছু পদক্ষেপ সমুহ,

  • ই-বুক
  • ফ্রি ওয়েবিনার
  • কুপন এবং
  • চিট শিট অব টিপস

 গ্রাহকদের ইমাইল পাঠানোর জন্য কার্যকরী সফটওয়্যার সমুহ হল,

এফিলিয়েট মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে অন্য কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রমোট করে প্রোডাক্ট বিক্রয় করতে পারলে প্রোডাক্ট প্রতি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাওয়া যায় যাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর খুঁটিনাটি

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল,  

  • এমাজন এসোসিয়েট
  • ইবে পার্টনার
  • শপিফাই এফিলিয়েট প্রোগ্রাম
  • ফাইভার এফিলিয়েট ইত্যাদি

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ অর্থ উপার্জনের পরিমাণটা তুলনামুলক ভাবে বেশি। অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে  এই সেক্টরে কাজ শেখার ও করার ধৈর্য এবং ১০০% ডেডিকেশন থাকতে হবে ন্তুবা সফলতা পাবেন না।

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো যেভাবে

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারবেন সাধারণত তিনভাবে,

  • অনলাইনে ভিডিও দেখে (ফ্রি)
  • বিভিন্ন ট্রেইনিং সেন্টার (পেইড)
  • ওয়েব বা ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড ইন্টার্নশিপ করে

অনলাইনে ভিডিও দেখে (ফ্রি)

অনলাইনে ভিত্তিক জনপ্রিয় প্লাটফর্ম ইউটিউবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর দেশি বিদেশি অসংখ্য ভিডিও রয়েছে যেগুলো দেখা এবং প্র্যাকটিস করে একজন প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধরতে হবে। আপনি যদি ধৈর্যশীল না হন তাহলে এই পদ্ধতি আপনার জন্য না।

 দেশি বিদেশি জনপ্রিয় কিছু ইউটিউব চ্যানেল সাজেস্ট করা হল, 

  • এন শামিম বাংলা (বিগিনার টু এডভান্সড)
  • পিযুস সাহা বাংলা (বিগিনার টু এডভান্সড)
  • এ এইচ আর এফস। ইংরেজিতে Ahrefs (এডভান্সড)
  • নিল প্যাটেল ইংরেজি (এডভান্সড)

বিভিন্ন ট্রেইনিং সেন্টার (পেইড)

ইউটিউবে ভিডিও দেখে শিখতে যদি আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন তাহলে বিশ্বস্ত ও ভাল মানের ট্রেইনিং সেন্টার থেকে পেইড কোর্স করে শেখা আপনার জন্য পারফেক্ট হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড ইন্টার্নশিপ করে

আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর যেকোনো একটি শাখা সম্পর্কে বেসিক নলেজ থাকে তাহলে আপনি যে কোম্পানিগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ইন্টার্নশিপ অফার করে সেখানে জয়েন হয়েও আপনি প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ধৈর্য থাকতে হবে।

মনে রাখবেন কোন কাজেই পরিশ্রম ছাড়া সফল হওয়া যায় না। আমাদের আরো লেখা পড়তে ভিজিট করুন এখানে। ধন্যবাদ।


আমাদের আরো ব্লগ

শেয়ার করুন